চন্দননগর জোড়া ঘাট।
সরস্বতী ও ভাগীরথী, দুইপালা দোলনে চন্দননগরের প্রাকৃতিক চেহারা দেখতে প্রাক-ঔপনিবেশিক চন্দননগরের চেহারা তুর্কি সরকার অবধি দানা বাঁধেনি। এর পর মুঘল প্রশাসনেও ভৌগোলিক চেহারা ছিল অবিন্যস্ত। মুঘল প্রশাসন নগর নিয়ম ঔরঙ্গজেবের সাড়া ও সায় নিয়ে ফরাসিরা আসে চন্দনে। সমর ও অন্যান্য ইউরোপীয় কোম্পানিও কর্তৃপক্ষ কুঠি নির্মাণের জন্য এবং শক্তি ব্যবস্থা গড়ে তোলে।

একসময় চন্দননগর ছিল ফরাসি উপনিবেশ ! কলকাতা থেকে ৩৭ কিমি দূরে অতীতের ফরাসি কলোনি আজকের চন্দননগর। চন্দননগরের আর রয়েছে ফরাসি ইনস্টিটিউট, রোমান ক্যাথলিক চার্চ ! চন্দননগরের আর রয়েছে রবীন্দ্র ভবন, নন্দদুলাল, বিশালাক্ষী ও দেবী ভুবনেশ্বরীর মন্দির। চন্দননগরের  - "সিটি অফ লিবার্টি" তার অবর্ণনীয় সৌন্দর্যের কারণে সর্বদা সারা বিশ্বের মানুষকে আকৃষ্ট করেছে
ফারাসিরা মুঘলদের অধিকার নিয়ে বাকি বেনামে কিছু স্বাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও প্রতিপত্তি বাড়ায়। এই সময়ের মধ্যে মরাঠা বীর আক্রমণ, চৈতন্যকেন্দ্রিক বৈষ্ণব ধর্মের প্রসার, সরস্বতী নদী, সপ্তর বন্দরে গুরুত্ব কম শীর্ণ পশ্চিমের দিকে ও পথ থেকে মানুষ আসতে পারে চরণনগরে। ক্রমশ ধীবর, হাড়ি, পাইক, মালো, কবর, নিকিরি, বাগদী, ডোম, চাষি— চন্দননগর আদিবাসী স্থায়ী হতে পারে। একদা নদী ভূমি আকাশ আমার সব অধিকার ছিল। কার কাছেই বা দাবি করবে? যা পাওয়া যেতই দেখতে সেইটা নিরীক্ষণ মিশে।

ফরাসী মাঁর্ত্যা, দেবালদ ও তালিকার পত্রকে গুরুত্ব দলীয় চন্দননগরের জন্ম ১৬৯৬ সালে। দ্যুপ্লের প্রশাসন চন্দননগর ছিল ‘ফরাসি ইস্ট কোম্পানি’র স্বর্ণযুগ। এই সময়কালে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়। প্রমাদ গোনেরা। ফারা দুর্গ-সহ চন্দননগর চটি করে, লুঠ করে। ১৭৬৯ সালে কোম্পানির হাত থেকে ফরাসী সরকার যে চন্দননগর পায় তা, বিধ্বস্ত, নিঃস্ব। -বাণিজের প্রসারে জনপদ ও গ্রাম প্রসারিত হলে চন্দননগরে নগত শিক নাগরিকদের স্বরবার হতে পারে। তবে সর্বসাধারণ নয়, সর্বত্র ফারাসি প্রশাসকদের কথাই চলছে।

ভারতে অন্য চারটি ফারাসি উপনিবেশের মতো চন্দননগর ছিল পুদুচির প্রশাসন। সমগ্র ফরাসি ভারতে ছিলেন এক জন মাত্র গভর্নর। তাঁর পছন্দের উপনিবেশের পাঠন এক জন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। চন্দননগর অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সঙ্গে আদালত, কালেক্টরেট, শিক্ষা বিভাগ, পূর্ত বিভাগ, সেনাবাহিনী— সব ছিল পুদুচেরীর অধীন। আইনকানুন ফরাসী গণপ্রণেমানরা করেছেন। এর ডেটি ও সিনেটারদের কাউন্সিলে ফারাসি ফারাসি ফারাসি পুস্তক নাগরিক ও পরবর্তীতে এক হতে হতে এক জন ডেটি এবং জন সিনেটার পরবর্তী।

চন্দননগরের সামনের অংশের তালিকার অধিকারী ডেপুটি ও সিনেটরদের কাউন্সিলে মধ্যবর্তী স্থান হয়নি। ১৮১৬ সালে রিপোর্টারদের হাত থেকে স্থায়ীভাবে চন্দন নগরের পেতে ফারাসিরা ১৮৮০ সাল অবধি দীর্ঘ ৬৪ বছর মোটা এ চেষ্টায়। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ-অসন্তোষ ছিল না তা বলা যায় না। প্রকৃতপক্ষে মানুষ এই ফরাসি শাসনব্যবস্থায় হিসাবে নিয়েছিলেন। এ থেকে জনজীবন মনে হত নিস্তরঙ্গ, কোলাহলহীন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা উন্নয়ন বিকাশের চেষ্টা করা উচিত নয় ফরাসীদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, তাদের মতো করে।

এটা পরে লোকমুখে ফারাসিদের ছাত্র হয়ে যায়। শেঠ, র, ঘোষ, নন্দী, পাল, শ্রীমানী, বসু, মন্ডল, ভাড়, ব্যাঞ্জরী প্রমুখ দেশীয় পরিবারের সদস্যও ছিল। ব্যবসায়-বিভিন্ন সম্পর্ক ও অপরের কারণে ফরাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা তাদের কাছে যুদ্ধের প্রথম দাবি আওয়াজ সাংবাদিকদের দিকে।

১৮৮০ সালে মেট্রোপলিটন ডিক্রি ফারাসি রাজ্যের রাজ্যপুরে নিজেদের স্বনির্ভর ভারতে বলতে পারে এই চননগরে পুরপ্রান্দিক ব্যবস্থা। চন্দননগর পুরষেবা সহ সক্রিয় কার্যদিপর জন্য মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করে। ৬ সপ্তাহে কাউন্সিলারদের কাউন্সিল ও কমিউন বা আমাদের ধারনায় ভোটায়ত গঠিত হয়। কাউন্সিলের প্রধান। ফরাসী নগর জনগণ গণতন্ত্রী চন্দনের জনগণ এ পদ্ধতিতে এখানে প্রত্যক্ষভাবে ফরাসী পুর প্রশাসনিক পরিচালন ব্যবস্থার অধীনস্থ অংশ। বলা বাহুল্য, ফারাসি নাগরিকদের মতো সুযোগসুবিধা পেতে না দেশীয়রা। নেটওয়ার্ক ক্ষোভ চাপা ছিল। কেউ ভাবতেন নিয়তি।

পাণ্ডিচেরি (এখনকার পুদুচেরি) তখন পুলিশ। ১৭৮৯ প্রথম ফরাসী বিপ্লবের সুমহান প্রভাবশালী চন্দননগর মুক্ত হয়নি, সে ফরাসী অধীন। পণ্ডিচির জেনারেল কাউন্সিলে নির্বাচকমণ্ডলীর প্রস্তুত করা হবে। ফার্সি থেকে আসা ফারাসি, আপনার ফারাসি ও ফারাসি আইনের নেতার অঙ্গীকারবদ্ধরা ফারাসি শাসনাধীন এলাকায় বসবাসকারীর মালিকান দ্বিতীয় কোয়েল।

স্বাভাবিক আমাদের ফরাসী নগর প্রশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ চন্দনের বিভুব্ধ হওয়া পাস। প্রতিবাদ জোরালো হয়। আবার কেউ স্থানীয় প্রজাবন্ধুর পত্রিকায় স্নেহময়ী জননীর কাছে কাতর আবেদন জানান। ‘গোন্দলপাড়া বান্ধব সম্মিলনী’ তরুণরা এই আবেদন নিবেদন পছন্দ করতে না। এই আন্দোলন প্রথম দিকে ছিল পুরসভাকেন্দ্রিক। পরে ভারতে রাজনীতিলা ও প্রভাব পড়ে স্বাধীনের চিত্র বদলে চন্দননগরেও কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে। সীমাহীন বিপ্লবী অস্ত্র সংগ্রহ, গোপনীয়তা সংক্রান্ত কিছু সুবিধাও প্রকাশ করে চন্দননগরকে লক্ষ্য করে বিপ্লবী বিপ্লব করে, একাধিক করে।

১৯০৫-এর যন্ত্রাংশেরনগর সাম্রাজ্যবাদীদের হীন দৃঢ় ‘বঙ্গভঙ্গ’ কেন্দ্র ভারত করে জাতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মধ্যেই জন্ম বিপ্লবী আন্দোলন। সস্ত্রীক ও পক্ষী আন্দোলনে সামনের সামনে দেয় পথে। ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের শোষণহীন সমাজব্যবস্থা ব্যবহার এবং পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সমগ্র বিশ্বে পররাষ্ট্র ও নিপীড়িত শ্রমজীবী ​​জনগণের মধ্যে অভূতপূর্ব আলোড়ন তৈরি করে। বিংশ শতকে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রকাশ্য জাতীয়তাবাদী ধারার সঙ্গে চন্দননগর আলোড়িত পাঠ সেভাবে যুক্ত হতে পারে।

চন্দননগরের অধিবাসীরা প্রধান পুরসভার নাগরিক করতেন। নারায়ণচন্দ্র দেব, হরিহর শেঠ প্রমুখের গঠন ‘প্রজা সমিতি’। লালবাগানের সাধুচরণ মুখোপাধ্যায় গড়ায় ‘জন সম্মিলনী’। চারুচন্দ্র রায় রায় ‘দেশহিতৈষী সভা’। এক দিকে বিপ্লববাদীদের বর্ণনা, অন্য দিকে রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল চন্দননগর। ১৯২৯ সালে গ্রীণ্ট্রি কমিশন চন্দন নগর সংস্থা ও এর দল সংস্থা সমবায়। বিপ্লববাদী রাজনীতি, জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও বিপ্লবের প্রভাব এই ধারা পুষ্ট সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক চন্দননগরের পরবর্তী তিন রাজনীতিতে এক প্রগতিশীল সঞ্চার করে।

এর মধ্যে চন্দননগরে ফারাসি পুরসভার সরকার ব্যবস্থা সচল ছিল প্রধান ভিল ব্লাঁশ বা ফ্রাসিদের সাদা চন্দননগরে যা ছিল বড়বাজারকেন্দ্রিক। জিটি রোডের দিকে এবং বাকি নগরে প্রভাবশালী পরিবার চন্দন পূর্ব উদ্যোগে এলাকা উন্নত করতে। আর-বাণিজ্যের খাতির কিছু ব্যবসায়িক মহল পেত। এর মধ্যে ফরাসী পরিকল্পিত এক সুন্দর শহর দেখতে পাওয়া যায়।

দু'টি বিশ্ব আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে পরিবর্তন আনে। প্যারিস-পণ্ডিচেরি-চন্দননগর যোগসূত্রে সাম্যবাদ ও কমিউনিজম রাজনীতিকে সংঘবদ্ধ করেরগতভাবে। অন্য দিকে, স্বাভাবিক আসন্ন। ১৯৪৬ সালে ভারতবর্ষের ফারাসিনিবেশ্যাফ কাউন্সিল বা জাতীয় গণতান্ত্রিক উপর্চা এনডি। এই এনডিএফ-ও ফরাসী আপ কমিউনিস্ট পার্টি ফারাসি মানুষের কাছে ফরাসী উপনিবেশের বিপরীত ও মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করার অনুরোধ। জাতীয় দল তার দ্বারা ধারায় আন্দোলন করে। পরিণামে একদা শুরু হয় নির্বাচন।

পুর্বের আরও অনেক কিছু এনডিএফ-এর প্রায় জয়ী হন। প্রমাদ গোনে ফরাসী সরকার ও তার স্বার্থবাহী কিছু অনুগত প্রজা। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয়। কিন্তু চন্দননগরে টালবাহানা, ফ্রি সিটি-র ষড়যন্ত্র করতে হয়। গত ১৯৪৯ সালে গণভোটে চন্দননগরের মানুষ রায় দেন ভারতন নাগরিক হিসেবে স্বাধীন চন্দননগরের ব্যবহার। ১৯৫০ সালে কার্যকারিতা বা ডি ফ্যাক্টো ট্রান্সফার- ভারত এর মাধ্যমে জনমত হাতে চন্দননগর অর্পণ করা ‘চন্দননগর মার্জার অ্যাক্টর ১৯৫৪’ অবধি অপেক্ষা করতে হয় পশ্চিমবাংলার অংশ হতে। এই সময়ে স্থানীয় এলাকাগুলির মধ্যে হতে হয় চন্দননগরের বিশিষ্ট প্রগতিশীল নাগরিকদের সংগঠিত সাময়িকভাবে যুক্ত প্রগতিশীল ফ্রন্ট, স্থায়ী গণমঞ্চ ‘ নাগরিক কমিটি’ বা ইউনাইটেড সিটিজেনস কমিটি। শুধু নির্বাচন নয়, শুধু পুর আন্দোলনও নয়, এই উদ্দেশ্য তার কর্মধারা প্রবর্তিত হবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, শ্রমবী জনগণের স্বার্থে স্থানীয় অর্থনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন।

১৯৫৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বঙ্গ রাজ্যসভায় চন্দননগর পুর আইন প্রণয়ন ও গৃহীত হয়। ১৯৫৬ নগরের মধ্যে ১৫ জানুয়ারি স্বাধীনতা চন্দনে প্রথম পুর নম্বর ১৯২টি আসনের আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়লাভের নাগরিক ক্ষমতা শক্তিরা। ৫টি ওয়ার্ডে ভাগ করা হয় চন্দননগরকে। মোট আসন সংখ্যা ২৫। জনগণের মাধ্যমে ভোট হতে হবে ২২ জন কাউন্সিলর, বাকি ৩ অল্ডারম্যানে হতে কাউন্সিলরদের ভোটে। প্রথম দেব হন নারায়ণচন্দ্র।

এর পর পশ্চিমবঙ্গ স্থায়ীবৃদ্ধি, দুর্ভিক্ষ, উদ্দীপনা পুনর্বাসন, ভারত-চিন যুদ্ধ ইত্যাদি সমস্যায় থাকতে পারে। এর প্রভাব পুর রাজনীতিতেও পড়ে। ১৯৬০, ১৯৬২, ১৯৬৭, ১৯৭১ এর পর জেতে নাগরিক নাগরিক। ১৯৭২ সালে প্রথম জাতীয় চন্দননগর পুরসভা জবরদখল করে আমাকে সদস্যদের পরিবর্তে আধিকারিক নিযুক্ত করে। ১৯৭৭ সালে জেলা প্রশাসনের পরিবর্তন হয়। সমাবেশয় বামপীরা জয়লাভ করে। বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রভাব চন্দননগরের পুর রাজনীতিতে। ১৯৮১, ১৯৮৬, ১৯৯০ সালে জয়লাভ করেন বাম হয়েরা দেশ বামফ্রন্টের স্থপতির সঙ্গে এই জয় স্বাভাবিক।

১৯৯০ সালে নতুন চন্দনগর মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন অ্যাক্টিভিটি প্রণীত হয় ১৯৯৪ সালে। যুক্ত হয় খলিসানি এলাকা পঞ্চায়েত। পশ্চিমের দিকে এই গ্রামবাসীর অনেক জায়গা পুরসভার সুযোগসুবিধার। গির পর চন্দনগরের এলাকা দ্বিগুণ বেশি হয়। চন্দননগর মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন আসন সংখ্যা ৩৩টি। এই দলটি নতুন উদ্দীপনা প্রদর্শন করে। ১৯৯৯, ২০০৫, প্রথমপুরে বামপী ও গণতান্ত্রিক শক্তিরা জয়লাভ করেন। এই ৬ মাস অন্তর ওয়ার্ড সক্রিয় স্থানীয় ওয়ার্ডের নাগরিকদের পুরসভার উপস্থিতিতে স্বচ্ছ পুরের ধারাকে রাখা হয়।

এই সময়কালে বামপী রাজনীতি ও বামফ্রন্ট রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রে তৃণমূল ও জাতীয় পার্টির বিরোধিতা হয়। চন্দননগরে পুরাতে তারও প্রভাব পড়ে। ২০১০, ২০১৫ সালে তৃণমূল জয়লাভ করে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বিবাদে পুর সরকার থমকে যায়। ২০১৮ সালে নির্বাচনে ভোটে আমরাষদ, বোরোন-প্রধান, চেয়ারপার্স সহ ১৪ জন বিরোধিতাকারী স্থানীয় কাউন্সিলর পুরার্থী পক্ষের স্বজনপোষণ, আইন চালনা, দুর্নীতি ইত্যাদি অভিযোগের রাজ্যপালের নির্দেশনা জারি করা হয়। পুরবোর্ডের পর তিন বছর ক্রান্তিলগ্ন পুর নির্বাচন হয়েছে। পুর শহর বিপর্যস্ত। পরিবেশ দূষণে। বিভিন্ন প্রয়োজনে নাগরিক-প্রাণ জেরবার। সবার আশা— এই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, চন্দননগরে পুরজীবনে স্বস্তি, সুখ, শান্তিকে।