টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে নেই শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ! 
নিজস্ব প্রতিবেদন : প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সুপার টুয়েলভে সরাসরি জায়গাই হল না ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কার
মতোই সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র পেল না বাংলাদেশও। যদিও গ্রুপ পর্বে খেলে সুপার টুয়েলভে খেলার সুযোগ থাকছে টাইগারদের পাশাপাশি লঙ্কানদের।
২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বারো দলের। মঙ্গলবার আইসিসি আট দলের তালিকা প্রকাশ করেছে যারা সরাসরি কুড়ি-কুড়ির বিশ্বকাপে খেলবে। ২০১৮ সালের
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম আটটি দল-পাকিস্তান, ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউ জিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান
সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র পাচ্ছে। এই আট দলের মধ্যে নেই বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। টি-টোয়েন্টিতে সাম্প্রতিককালে এই দুই দেশের পারফরমেন্স একেবারেই
আশাপ্রদ ছিল না। আর তারই প্রভাব পড়েছে র্যাঙ্কিংয়েও। আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে নয় নম্বরে শ্রীলঙ্কা এবং দশ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ।
এই দুই দেশকে কোয়ালিফায়ার খেলে উঠে আসা বাকি ৬টি দেশের সঙ্গে গ্রুপ পর্বে খেলতে হবে। সেখানে জিতলে মূলপর্বে খেলার সুযোগ
থাকছে টাইগার ও লঙ্কানদের। তিন বারের ফাইনালিস্ট ও ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। সরাসরি মূলপর্বে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক
লাসিথ মালিঙ্গা জানিয়েছেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে আমরা সরাসরি সুপার টুয়েলভে জায়গা করে নিতে পারিনি। কিন্তু আমি আশাবাদী আমরা প্রতিযোগিতায়
ভাল কিছু করব। তিন বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলে একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি আমরা, তাই সকলেই আশা করেছিল আমরা প্রথম আটের মধ্যে থাকব।
তবে গ্রুপ পর্বে ভালো খেলে আমাদের নকআউট পর্বের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যদিকে সরাসরি বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে না পারার
হতাশা চাপা রাখেন নি বাংলাদেশ অধিনায়ক শাকিব-আল হাসান। তিনি বলেন, এটা ঠিকই যে আমরা সরাসরি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে জায়গা
করে নিতে পারিনি। কিন্তু আমি নিশ্চিত গ্রুপ পর্বে ভাল করে আমরা ঘুরে দাঁড়াবই। আমাদের দিনে আমরা কিন্তু যে কোনও দলকে
হারানোর ক্ষমতা রাখি। সম্প্রতি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছি টি-টোয়েন্টি সিরিজে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে এই জয়টা বড় কাজ করবে। 