ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ফিরলেন এনরিকে, ইস্টবেঙ্গলে স্বস্তির হাওয়া 
ইস্টবেঙ্গল - ২ নেরোকা - ১ (এনরিকে ২) (চেঞ্চো) কথায় বলে , ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি হয়। যুবভারতীতেও তাই হল। অ্যাওয়ে
ম্যাচে নেরোকার বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কাণ্ডারী ছিলেন মেক্সিকান স্ট্রাইকার এনরিকে এসকেদা। বছর ঘোরার পরেও সল্টলেক স্টেডিয়ামে নায়ক সেই এনরিকে। মাঝখানে
গঙ্গা দিয়ে গড়িয়ে গিয়েছে অনেক জল। পাঁজরে চোট পেয়ে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন। অনেকেই 'গেল গেল' রব তুলেছিলেন। ফিরে এলেন দারুণ
ভাবে। লক্ষ্মীবার মোক্ষম সময়ে জ্বলে উঠলেন এনরিকে। পিছিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গলকে অক্সিজেন দিয়ে সমতা ফেরালেন। তার পরে লাল-হলুদ সমর্থকদের হৃৎস্পন্দন যখন
ক্রমশ বাড়ছে, তখন আবার তিনি বিষ ঢাললেন। মোক্ষম সন্ধিক্ষণে পৌঁছে গিয়েছে এবারের আইলিগ। হঠাৎই চ্যাম্পিয়নশিপের গন্ধ পেতে শুরু করে দিয়েছে
আলেয়ান্দ্রো মেনেনদেজের ছেলেরা। এই নেরোকাকে পাহাড়ে গিয়ে হারিয়ে এসেছিল ইস্টবেঙ্গল। তখন আর এখনের নেরোকার মধ্যে যে বিস্তর ব্যবধান। এই নেরোকা
সম্প্রতি সই করিয়েছে চেঞ্চোকে। ভুটানিজ স্ট্রাইকারই প্রথমে এগিয়ে দেন নেরোকাকে। কাটসুমির কর্নার থেকে ডিকার ভুলে গোল করে যান চেঞ্চো। খেলার
বয়স তখন তিন মিনিট। ইস্টবেঙ্গল সমতা ফেরায় ৬৭ মিনিটে। টনির বদলি হিসেবে নামা এনরিকে হাইমে কোলাডোর সেন্টার থেকে কাঁপিয়ে দেন
নেরোকার জাল। তার পরেই ৮৬ মিনিটে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। এনরিকের সেই গোলের আর জবাব ছিল না নেরোকার কাছে। নেরোকা ও ইস্টবেঙ্গল
- দু' দলেরই কোচ স্প্যানিশ । দুই কোচের মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে শেষমেশ জিতলেন আলেয়ান্দ্রোই। এদিন নেরোকা বধের পরেও ইস্টবেঙ্গল চার নম্বরে।
স্বপ্ন দেখাতে শুরু করে দিয়েছেন মায়েস্ত্রো মেনেনদেজ। লাল-হলুদ সাজঘরে একটাই বার্তা, চরৈবেতি , চরৈবেতি। এগিয়ে চল, এগিয়ে চল। 