সিরিজে সমতা ফেরানোর পর বোলারদের কৃতিত্ব দিলেন অধিনায়ক ধোনি 
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে দুরমুশ করে জেতার পর মহেন্দ্র সিংহ ধোনি প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন দলের বোলারদের। যাঁদের দাপটে সোমবার
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে প্রথমে ব্যাটিং করে জিম্বাবোয়ে ইনিংস আটকে গেল ৯৯৯ স্কোরে। দশ উইকেটে ম্যাচ জেতার পর ধোনি বললেন, শুরুটা
করেছিল বোলাররা। যে কোনও ম্যাচের শুরুটা ভাল হওয়া ভীষণ জরুরি। বোলাররা সঠিক লাইন-লেংথে টানা বল করে গিয়েছে। ওদের জন্যই ম্যাচটা
একপেশে হয়ে পড়েছিল। সোমবার ভারতের সামনে লড়াইটা ছিল সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার। আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ১২ নম্বরে থাকা জিম্বাবোয়ের কাছে প্রথম
ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিলেন অধিনায়ক ধোনিও। বিশেষ করে আগের ম্যাচে তিনি ক্রিজে থাকা সত্ত্বেও ভারত শেষ
ওভারে আট রান তুলতে না পেরে হারায় প্রবল সমালোচিত হয়েছিলেন 'ক্যাপ্টেন কুল'। সোমবার ম্যাচ শুরুর আগে তাঁর উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছিল
হারারে স্পোর্টস ক্লাবের বাইশ গজও। ধোনির নিজের কথায়, এই পিচে পরপর তিনটি ম্যাচ হচ্ছে। উইকেট কীরকম আচরণ করবে, তা নিয়ে
চিন্তায় ছিলাম। সঙ্গে যোগ করেছেন, বোলারদের যোগ্য সঙ্গত করেছে ফিল্ডাররা। আগের ম্যাচের চেয়ে আমাদের দ্রুত দৌড়তে হবে আগেই বলে দিয়েছিলাম।
মাঠে সেটাই করে দেখিয়েছে সকলে। শেষ পর্যন্ত তাঁর উদ্বেগমুক্তি ঘটান বোলাররা। যাঁদের মধ্যে সেরা বরিন্দর সিংহ স্রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে
অভিষেকের মঞ্চে চার ওভারে মাত্র দশ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। ডট বলের সংখ্যা ১৮টি। ম্যাচের সেরাও হয়েছেন স্রান।
যিনি খুশি বল সুইং করাতে পেরে। খুব উপভোগ করেছি। বল প্রথম থেকে সুইং করেছে। আমি বলের গতির থেকেও সুইংয়ের ওপরই
বেশি জোর দিয়েছি। কারণ এই ধরনের উইকেট ও পরিবেশে সুইংটাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায়, বলেছেন স্রান। সঙ্গে যোগ করেছেন,
অভিষেক ম্যাচ খেলতে নেমেছি বলে আমার ওপর কোনও বাড়তি চাপ ছিল না। বোলিং উপভোগ করেছি। স্রান ছাড়া তিনটি উইকেট পেয়েছেন
যশপ্রীত বুমরা। একটি করে উইকেট ধবল কুলকার্নি ও যজুবেন্দ্র চাহালের। আগের ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর সোমবার জয়দেব উনাদকট ও ঋষি
ধাওয়ানের পরিবর্তে স্রান ও কুলকার্নিকে খেলানো হয়। ভারতীয় বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যত আত্মসমর্পণ করে বসেন জিম্বাবোয়ের ব্যাটসম্যানরা। রান তাড়া করতে
নেমে ১৩.১ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। ৪০ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত ছিলেন মনদীপ
সিংহ। ৪৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন কে এল রাহুল। 