নবজন্ম প্লাজার, খালিদের চিন্তাও কমালেন তিনি 
ইস্টবেঙ্গল - ২ মহমেডান - ২ (আমনা, প্লাজা) (জীতেন, ডিকা) দাঁড়িয়ে গেলেন উইলিস প্লাজা! ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনের ভিতরে তাঁকে
নিয়ে চলা ঝড় থামিয়ে দিলেন একটা জোরালো শটেই। ওই শটেই যে ইস্টবেঙ্গল মান বাঁচাল। জিইয়ে রাখল টানা অষ্টম বারের জন্য
কলকাতা লিগ ঘরে তোলার স্বপ্ন। বাঙালির চিরআবেগের ম্যাচের মশলাও মজুত রাখল ইস্টবেঙ্গল। প্লাজার গোলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা একবুক নিশ্বাস নিল। কারণ
তার আগেই ক্যামেরুনের ডিপান্ডা ডিকা ইস্টবেঙ্গলের শ্বাসরোধ করে দিয়েছিলেন। ডান দিকের মাটি ঘেঁষা সেন্টার থেকে সাদা-কালো শিবিরের বিস্ফোরক স্ট্রাইকার মহমেডানকে
এগিয়ে দেন ২-১। লাল-হলুদ ডিফেন্সে তখন হাঙরের হাঁ। পিছিয়ে থেকে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। পরিবর্ত খেলোয়াড় কেভিন লোবোর
পাস থেকে প্লাজার শট খুঁজে নেয় মহমেডানের জাল। শুধু তো মহমেডান নয়, বল গেল মোহনবাগানের জালেও! ডার্বির আগে সবুজ-মেরুন শিবিরকে
কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন প্লাজা। বল গড়ানোর আগে ডিপান্ডা ডিকা বলেছিলেন, ইস্টবেঙ্গলের আসল অস্ত্র আল আমনা। খেলার দু' মিনিটেই আমনার
সাইড ভলি এগিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গলকে। কিছুক্ষণ বাদেই জীতেন মুর্মু সমতা ফেরান মহমেডানের হয়ে। ৬৬ মিনিটে ডিকা এগিয়ে দেওয়ার পরে প্লাজার
বিস্ফোরণ। ত্রিনিদাদ-টোব্যাগোর স্ট্রাইকার গোলে ফেরার পরেই খালিদ জামিল মাঠে বসে পড়েন। বোঝাই যাচ্ছিল পিছিয়ে পড়ে প্রচণ্ড চাপে ছিলেন তিনি। প্লাজা
চাপমুক্ত করলেন তাঁকেও। নিন্দুকরা নখ-দাঁত বের করেছিলেন। প্লাজাকে নেওয়ার জন্য খালিদেরও সমালোচনা হচ্ছিল। প্লাজাও ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিলেন। মিনি ডার্বিতে নবজন্ম হল
তাঁর। 