ট্রেনের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন সত্যেন। তাঁর মতোই চলে গেলেন এক নামী খেলোয়াড় 
ভারতীয় ফুটবলের হারিয়ে যাওয়া তারা ভিপি সত্যেনকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে মালায়লম ভাষায় ছবি। নাম ক্যাপ্টেন। ২০০৬-এর ১৮ জুলাই তারার
দেশে চলে যান ভারতের এই প্রাক্তন ডিফেন্ডার। ৪১ বছর বয়সে নিজেকে শেষ করে দিয়েছিলেন সত্যেন। নিন্দুকেরা বলতেন, মানসিক অবসাদ গ্রাস
করেছিল এই ডিফেন্ডারকে। আর্থিক সঙ্কটও গ্রাস করেছিল তাঁকে। মৃত্যুর পরে সত্যেনের পকেট থেকে চারটি 'সুইসাইড নোট' পাওয়া গিয়েছিল বলে খবর।
মিডিয়া, তাঁর দুই বন্ধু এবং ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের এক কর্তাকে উদ্দেশ্য করে লিখে গিয়েছিলেন কেরলের এই ডিফেন্ডার। সত্যেনের মৃত্যু এখনও
রহস্যাবৃত। ঠিক সত্যেনের মতোই পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে গেলেন ২০ বছরের হকি তারকা জ্যোতি গুপ্তা। তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হল হরিয়ানার
রেওয়ারি-র রেলওয়ে ট্র্যাকে। ভারতীয় হকি দলের স্ট্রাইকার জ্যোতি হকি সার্কিটে বেশ নাম করছিলেন। কিন্তু কেন তাঁকে সব হারানোর দেশে চলে
যেতে হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। হরিয়ানা পুলিশের বক্তব্য, আত্মহত্যা করেছেন এই তরুণী। সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ হঠাৎই চন্ডীগড়-জয়পুর ইন্টারসিটি
এক্সপ্রেসের সামনে এসে পড়েছিলেন তিনি। এমনটাই তো ঘটেছিল সত্যেনের ক্ষেত্রে। অবশ্য সেই জায়গাটা ছিল ভিন্ন। চালক ব্রেক কষার চেষ্টা করলেও
জ্যোতিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এদিন সাড়ে দশটা নাগাদ জ্যোতির ফোনে তাঁর মা ফোন করলে জানতে পারেন মেয়ে আর নেই। জ্যোতির
মা জানিয়েছেন মেয়ে ক্লাস টেন ও টুয়েলভের মার্কশিটে সংশোধনের জন্য বেরিয়েছিল। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ জ্যোতি ফোন করে জানান তিনি
বাসে রয়েছেন। তার পরেই জ্যোতির মা পেলেন হৃদয়বিদারক খবরটা। শোনা যায়, সত্যেনের পকেটে ছিল চারটি সুইসাইড নোট। জ্যোতির কাছ থেকে
এমন সুইসাইড নোট অবশ্য পাওয়া যায়নি। 