যখন তখন হামলা। সাংসদদের বাঁচাতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন 
তাঁরা দেশের রাজ্যসভার সাংসদ বলে কথা। কোন বিল পাশ হবে, কার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে তা নিয়ে তাঁরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
নেন। তাঁদের প্রভাবে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেতে পারে, কিন্তু বাঁদর-কুকুরদের বয়েই গিয়েছে। বাঁদর সেনা এবং সারমেয়দের উপদ্রবে দিল্লিতে বসবাসকারী রাজ্যসভার
সাংসদদের এখন ভিটেছাড়া হওয়ার অবস্থা। উপদ্রব এতটাই বেড়েছে যে সাংসদদের বসবাস-সহ নানা সুয়োগ সুবিধার দিকে খেয়াল রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যসভার
হাউজ কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে বাঁদর এবং কুকুর তাড়ানোর পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট পদ্ধতিতেই পরামর্শ পাঠাতে হবে। দিল্লির
রাজপথে বাঁদরবাহিনী। সাংসদদের বাঁচাতে সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপন (ইনসেটে)। যদিও এই প্রথম নয়, বহুদিন ধরেই দেশের সাংসদরা মূলত বাঁদর বাহিনীর উপদ্রবে
জেরবার। কুকুররাও কম যায় না। মাঝে সাংসদদের রক্ষা করতে কুকুর ধরার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নামানো হয়েছিল। শুধু তাই নয়, কুকুর-বাঁদরদের
ভয় দেখাতে রবার বুলেটেরও ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু সাময়িক উপদ্রব কমলেও শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ হয়নি। হাজার হোক, সাংসদদের ক্ষমতা
তো অবলা প্রাণীগুলো বোঝে না! 