সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। দাবি 'দেশপ্রেমী'র! 
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর থেকে দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে রাজনের সম্পর্ক তিক্ত হয়েছিল। অনেকেরই ধারণা, দাউদের ভয়েই
তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। রাজনকে দেশে ফেরাতে আজ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে গিয়েছে সিবিআই, মুম্বই এবং দিল্লি পুলিশের একটি দল। রাজনের বিরুদ্ধে এফআইআর-সহ
বিভিন্ন নথির কপি নিয়ে গিয়েছে তারা। তবে রাজনকে ফেরত আনার সময় ভারতীয় প্রতিনিধি দলের উপরে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দলটির
নিরাপত্তার জন্য বিশেষ কম্যান্ডো বাহিনী মোতায়েন করেছে ইন্দোনেশিয়া প্রশাসন। যে বিমানে রাজনকে ভারতে নিয়ে আসা হবে, তাতে তিনজন কম্যান্ডো এবং
তিনজন শার্প শ্যুটারও থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। দেশে ফিরে সিবিআই ডনকে মুম্বই পুলিশের হাতে তুলে দেবে। রাজনের বিরুদ্ধে স্মাগলিং, খুন,
অপহরণের ৭৫টি মামলা রয়েছে। রাজন গ্রেফতার হওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় আজ তাঁর সঙ্গে দেখা করেন জাকার্তায় ভারতীয় দূতাবাসের 'ফার্স্ট সেক্রেটারি'
সঞ্জীব কুমার অগ্রবাল। রাজনের গ্রেফতারি সম্পর্কে একটি রিপোর্ট গত পরশু ভারতীয় দূতাবাসে জমা দিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া সরকার। তারপর আজ সকালে জার্কাতা
থেকে বালিতে যান সঞ্জীব। সেখানে পুলিশ হেফাজতে থাকা রাজনের সঙ্গে সঞ্জীব প্রায় আধঘণ্টা কথা বলেন। ঘটনাচক্রে, পাঁচদিনের সফরে এদিনই ইন্দোনেশিয়া
পৌঁছেছেন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি। বন্দি প্রত্যর্পণের জন্য ২০১১ সালে ভারত এবং ইন্দোনেশিয়া প্রাথমিক চুক্তি সই করলেও তা এখনও রূপায়িত হয়নি।
আনসারির সফরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি বিনিময় করা হবে। 