চিকিৎসার নামে প্রহসন? প্রসূতিকে আচমকা এইচআইভি পজিটিভ বলল হাসপাতাল 
দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার বেহাল দশা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে তার প্রমাণ এই ঘটনা। যার কাহিনি জানলে অবাক হয়ে যেতে হয়।
কিছুদিন আগে কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে শারীরিক পরীক্ষা করাতে গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের দেহাট জেলার পুখরায়ানের এক প্রসূতি। ৬ মাস ধরে এখানেই তিনি
শারীরিক পরীক্ষা করাচ্ছিলেন। কিন্তু, ওই দিন কমিউনিটি হেলথ সেন্টার তাঁর রক্ত পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয়, তিনি এইচআইভি পজিটিভে আক্রান্ত। মাথায়
আকাশ ভেঙে পড়ার উপক্রম। প্রসূতির স্বামী ঠাহরই করতে পারছেন না, কীভাবে এটা সম্ভব? এরপরই ওই প্রসূতিকে কানপুরের লালা লাজপত রায়
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এইচআইভি পজিটিভে আক্রান্ত শুনে হাসপাতালের কর্মীরা তাঁদের নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করতে থাকেন বলে অভিযোগ ওই প্রসূতির স্বামীর।
এমনকী, রিপোর্ট ভাল করে খতিয়ে না দেখেই প্রসূতিকে সরাসরি এইচআইভি আক্রান্ত ওয়ার্ডে ভর্তি করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। আরও পড়ুন...
এইচআইভি-র থেকেও বেশি লোক মরছে এই অসুখে ভারতে এইডস ছড়িয়ে পড়ছে কীভাবে? চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পরে ওই প্রসূতি একটি সন্তানের
জন্ম দেন। এমনকী, বাচ্চা জন্মানোর সময় কোনও চিকিৎসকই সেখানে ছিলেন না বলে জানা যায়। অপারেশন থিয়েটারে একজন প্রসূতির জন্য কোনও
ব্যবস্থাই সেভাবে ছিল না বলেও অভিযোগ। পরে, ওই প্রসূতিকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র রক্ত পরীক্ষা করানো হয়। আর
সেখানকার ঘটনা তাঁদের স্মভিত করে দেয়। গোটা ঘটনায় কমিউনিটি হেলথ সেন্টার এবং লালা লাজপত রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে
প্রসূতির পরিবার। 