তৃণমূলের অন্দরে এখন প্রশ্ন, সত্যিই কি এতটা দরকার ছিল? 
সিপিএম থেকে আসা তাপস চ্যাটার্জি। এমনই তাঁর দাপট যে তাঁর বিরুদ্ধে বামফ্রন্ট কোনও বুথে ২টি কোনও বুথে আবার ১৩টা
ভোট পেয়েছে। সবমিলিয়ে বিরোধীদের কপালে জুটেছে ৬৫৪টি ভোট। তৃণমূল শিবিরের প্রশ্ন সত্যিই কি দরকার ছিল? কৃষ্ণা চ্যাটার্জি অথবা সব্যসাচী দত্তের
ক্ষেত্রেও উঠছে একই প্রশ্ন। জেতা নিশ্চিত করতে ৭৫ শতাংশেরও বেশি ভোট পেতে হবে তাঁদের? একটি বুথে ১২০০ ভোটারের মধ্যে মাত্র
নজন সমর্থক? মানতে পারছে না তৃণমূলের অভ্যন্তরের অনেকেই। প্রশ্ন উঠছে সত্যিই কি দরকার ছিল? বহিরাগতদের নিয়ে তাণ্ডব চালানোর সব দায়
সুজিত বসুর ওপর চাপিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তানিয়ে গোসাঁয় সবুজ আবীর খেলায় দেখা যায়নি তাঁকে।তিনি ছাড়া আর কোন কোন নেতা বহিরাগতদের
নিয়ে এসেছিলেন তারও তালিকা তৈরি করে পাঠাচ্ছেন নেত্রীর কাছে। দলের অন্দরে প্রশ্ন সত্যি কি দরকার ছিল? প্রশ্নটা সাংবাদিক সম্মেলন থেকে
উঠছে সল্টলেকের অলিতেগলিতেও। ভোট দিতে না পারা সাধারণ মানুষও তুলছেন এই প্রশ্ন। প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে, পুনর্নির্বাচনে তৃণমূলের এত ভোট
পাওয়ায়। প্রশ্ন উঠেছে সবাই যদি ভোট দিতে পারতেন কী হত? প্লাস পয়েন্ট ------- ৪ বছরের অভিজ্ঞতা মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মাইনাস পয়েন্ট
--------- তৃণমূলের বাকিদের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক পুরপ্রধান পদে থাকার সময় জড়িয়েছেন বিতর্কে ----- এই অবস্থায় মেয়র বাছবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিধাননগর থেকে
মেয়র হলে ডেপুটি মেয়র হবেন রাজারহাট থেকে। সেক্ষেত্রে, সব্যসাচী, তাপস নাকি কৃষ্ণা-তাপস? তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ফর্মুলা। তবে, সবকিছুর পরও
প্রশ্নটা উঠছেই ... 