দলকে কড়া বার্তা, কেন্দ্রকে তোপ! ২১-এর মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 
২১ জুলাই সমাবেশে মানুষের ঢল। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস। অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের বিজয় দিবসও আজ। দ্বিতীয়
ইনিংসের শুরু থেকেই শক্ত হাতে প্রশাসন ও দল, দুয়েরই রাশ ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ মমতার সেকেন্ড ইনিংসে প্রথম ২১-এ জুলাই।
কী কড়া বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ওয়েব ডেস্ক : ২১ জুলাই সমাবেশে মানুষের ঢল। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস। অন্যদিকে
বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের বিজয় দিবসও আজ। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই শক্ত হাতে প্রশাসন ও দল, দুয়েরই রাশ ধরেছেন মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ মমতার সেকেন্ড ইনিংসে প্রথম ২১-এ জুলাই। কী কড়া বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? মমতা : আপনারা মানুষকে অবহেলা করতে
পারেন না। আজ আপনি ক্ষমতায় আছে, কিন্তু কাল নাও থাকতে পারেন। প্রত্যেকে ফিরে গিয়ে নিজের ক্যালেন্ডার তৈরি করে কাজ করবেন।
আমরাই আমাদের রেকর্ড ভাঙব। মমতা : আমি প্রধানমন্ত্রী হতে চাই না, এই বাংলার মাটিতেই ছোট্ট কুঁড়েঘরে থেকে কাজ করতে চাই।
আমি আপনাদের অভিভাবক,আপনাদের রক্ষক। বাংলাকে বিশ্ব বাংলায় পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্যে আমাদের শক্তি যুবশক্তি। মমতা : দলকে
চোখের মণির মত রক্ষা করতে হবে। বিভেদকে পাত্তা দেবেন না। একজন-দুজনের বাজে কাজে বদনাম হয় গোটা দলের। এটা বরদাস্ত করা
হবে না। পুরসভাকে পার্টির গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। নিজের ইচ্ছেমতো চলা যাবে না। ব্যক্তিস্বার্থ নয়। মমতা : মা-মাটি-মানুষের প্রতি আমরা
কৃতজ্ঞ। আইন শৃঙ্খলা শক্ত হাতে রক্ষা করতে হবে । পাশাপাশি মানবিকও হতে হবে। মানুষকে রক্ষা করতে হবে। মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা
অর্জন করতে হবে। বিশ্বাসযোগ্যতা ছাড়া রাজনীতি হয় না। বিশ্বাসযোগ্যতাই কারোর সবচেয়ে বড় শক্তি। সবাই , , মন্ত্রী হয় না। মঞ্চে
মদন মিত্রকে নিয়ে গান বাঁধলেন কবীর সুমন। বললেন, আজ থেকে ৩০০ বছর পর মমতার নামে পুজোআচ্চা হবে, মন্দিরও হবে। আরও
বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাকা খরচ করে দেখিয়ে দিয়েছেন। টাকা খরচ করাটাই কাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন রাজ্য পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বলেন, সিঙ্গুর থেকে সাঁইবাড়ি, নেতাই থেকে নন্দীগ্রাম- সর্বত্র সিপিএমের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। আরও বলেন, উন্নয়নের জয় হয়েছে,
কুৎসা-ষড়যন্ত্রের পরাজয়। ২১-এর মঞ্চে তৃণমূলে যোগ দিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা অধীর চৌধুরির শ্যালক অরিত্র মজুমদার।যোগ দিলেন পুরুলিয়া
পুরসভার ২ জন কাউন্সিলরও। সভামঞ্চে বক্তব্য রাখলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। খড়গপুরের ৫ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর যোগ দিলেন তৃণমূলে। কালিয়াগঞ্জ পুরসভা তৃণমূলের
দখলে এল। ১০ জন পুর কাউন্সিলরের মধ্যে ৭ জন যোগ দিলেন তৃণমূলে। 