ভারতে চিকিৎসকের অভাব? চিনের পরিকল্পনা শুনলে চোখ কপালে উঠবে 
ভারতে সকলের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াটাই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানে চিন যে লক্ষ্যে এগোচ্ছে, তা সফল হলে
অন্যান্য দেশও একই পথে এগোতে পারে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে চিনের প্রতিটি পরিবারপিছু একজন করে পারিবারিক চিকিৎসক থাকবেন।
সরকারই সেই বন্দোবস্ত করবে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের মধ্যে দেশের ২০০ শহরকে এই পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসা হবে। সে
ক্ষেত্রে দেশের মোট জনসংখ্যার তিরিশ শতাংশ এই পরিষেবার আওতায় চলে আসবে। বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতোই চিনেও জনসংখ্যার একটা বড়
অংশ ক্যানসার এবং ওবেসিটির মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এবং সেই সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। শুধুমাত্র ২০১৫ সালেই প্রায় চল্লিশ
লক্ষ মানুষ চিনে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে তিরিশ লক্ষেরই মৃত্যু হয়েছে। এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পরেই সরকারের তরফে পরিবারপিছু
একজন করে পারিবারিক চিকিৎসক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পারিবারিক চিকিৎসকরা চিনের মানুষদের হেলথ গার্ড হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন। চিনের সরকারি
সংবাদসংস্থা জিনহুয়া এই খবর জানিয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, এর ফলে চিকিৎলার খরচ অনেক কমবে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও বেশি সংখ্যক
মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। সরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং গ্রামীণ এলাকার চিকিৎসকদেরই এই কাজে ব্যবহার করা হবে। তথ্য বলছে, চিনে
প্রতি হাজারজন পিছু ১.৯জন চিকিৎসক রয়েছেন। যদিও শিশুদের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অভাব রয়েছে চিনে। প্রতি হাজারটি চিনা শিশুর জন্য দেশে
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা ০.৫৩ শতাংশ। 