...মা-কে যদি এনে দাও 
প্রতিদিনের মতো সে দিনও স্কুলের পথে সে। পিঠে স্কুলব্যাগ, পরনে ইউনিফর্মও যথাযথ। গুটিগুটি পায়ে সে চলেছে তার নার্সারি-র দিকে।
এমন অবস্থাতেই তিন বছরের ফোব রুশটনকে আবিস্কার করেন জনৈক পুলিশকর্মী। তিনি তখন অফ-ডিউটি। স্ত্রীর সঙ্গে গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। ব্যস্ত
লন্ডনের রাস্তায় এক তিন বছরের বাচ্চাকে ফুটপাথ ধরে হাঁটতে দেখে সন্দেহ হয় তাঁর। ফোবের পথ আটকে দাঁড়ান তিনি। তাঁকে দেখেই
খুদে ফোব বলে ওঠে - আমি নার্সারিতে যাচ্ছি। মা নেই। মাকে আমি ঘুম থেকে তুলতে পারিনি। ফোব-এর বাড়ি। (ইনসেটে) মায়ের
সঙ্গে...। ছবিঃ ফেসবুক পুলিশকর্মী এবং তাঁর স্ত্রী ফোবকে তার বাড়ি নিয়ে আসেন। বাড়িতে প্রবেশ করে দেখা যায়, তার মা নিকোলা
রুশটন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বিছানাতেই। ঘুমন্ত অবস্থাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মা-কে 'ঘুম' থেকে তুলতে না পেরে ফোব একা একাই
তৈরি হয় স্কুলে যাওয়ার জন্য। একাই হাঁটা দেয় তার নার্সারির দিকে। ঘটনা খবরে আসার পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে।
তিন বছরের 'ব্রেভ' ফোবকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট-এর ঝড় ওঠে। কিন্তু ফোব কি প্রকৃতপক্ষে টের পেয়েছে কী হারিয়েছে সে? আর একটা
কথা কেউ উল্লেখ করেনি। প্রয়াতা নিকোল এক অসামান্য মা। কারণ, ফোবকে তো তিনিই তৈরি করেছেন! 