চাকরির দরখাস্তের দাম ৩২ লাখ টাকারও বেশি! জেনে নিন কার 
জীবদ্দশায় তাঁর স্থান ছিল বিশ্বের ধনীদের তালিকার শীর্ষের দিকেই। 'অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড'-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, স্টিভ জোবস। যাঁকে বিশ্ববাসী চেনেন মূলত মাইক্রোকম্পিউটার-এর
জনক হিসেবে। শুধুমাত্র কম্পিউটার নয়, পরবর্তীকালে আই-ফোনও বিশ্ববাজারে আনেন তিনিই। ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে, ৫৬ বছর বয়সে, ২০১১ সালে মারা যান
স্টিভ জোবস। সম্প্রতি, বস্টনের এক অকশন হাউজ জনসমক্ষে এনেছে তাঁরই একটি চাকরির দরখাস্ত। এই বিষয়ে অন্যান্য খবর মৃত্যুর আগে স্টিভ
জোবস এই অদ্ভুত কথাগুলিই বলেছিলেন জুকেরবার্গকে এই মন্দিরে আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন স্টিভ জোবস। তার পর... জানেন, আই ফোন-এর -এর মানে
কী? প্রায় ৪০ বছর আগের সেই দরখাস্ত থেকে, সেই সময়ের যুবক স্টিভ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানা গিয়েছে। যেমন, 'স্পেশাল
এবিলিটি'র পাশে তিনি লিখেছিলেন 'টেক অর ডিজাইন ইঞ্জিনিয়র'। ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিনা জানতে চাওয়ায়, তিনি লিখেছিলেন 'পসিবল, বাট নট প্রোবাবেল'।
আই-ফোনের স্রষ্টার কাছে তখন কোনও ফোন ছিল না বলেই জানা গিয়েছে সেই দরখাস্ত থেকে। ২০১০ সালে আই-ফোন ৪ লঞ্চ অনুষ্ঠানে
স্টিভ জোবস। ছবিঃ উইকিপিডিয়া ১৯৭৩ সালের সেই দরখাস্ত যে স্বাভাবিকভাবেই 'কালেক্টর'স ডিলাইট' হবে, তা বলাই বাহুল্য। বস্টনের ওই অকশন হাউজের
তরফ থেকে গত বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে যে, স্টিভ জোবস-এর ওই চাকরির দরখাস্তর দাম উঠতে পারে ৫০,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাসের ৮ থেকে ১৫ চলবে অকশনটি। সেখানে এই দরখাস্তের পাশাপাশি থাকবে, স্টিভ জোবসের স্বাক্ষরিত 'ম্যাক
ওএস এক্স'-এর একটি ম্যানুয়াল ও খবরের কাগজের একটি ক্লিপিং। প্রসঙ্গত, চাকরির এই দরখাস্তের প্রায় তিন বছর পরে, বন্ধু স্টিভ ওজনিকের
সঙ্গে তিনি শুরু করেন অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড। এবং সেই দরখাস্তে তাঁর নাম স্বাক্ষরিত ছিল 'স্টিভেন জোবস' হিসেবে। 