স্ত্রী অন্যের শয্যাসঙ্গিনী। মুখ বুজে মানতে বাধ্য স্বামী 
রবিনের কোল ছিল শূন্য। 'মা' ডাক শোনেননি তিনি। ১৭ বছরের বিবাহিত জীবন। কিন্তু স্বামী স্কট ম্যান্সফিল্ড রাজি ছিলেন না।
সন্তানে তিনি অনাগ্রহী বরাবর। রবিনের চাপাচাপিতে শেষ পর্যন্ত বন্ধ্যাত্বকরণের রাস্তায় যান। রবিন বুঝে যান, এর পরে আর তাঁর পক্ষে মা
হওয়া সম্ভব নয়। সমান্তরালভাবে বাড়তে থাকে দু'জনের মানসিক এবং শারীরিক দূরত্ব। শরীর এবং মনের খিদে মেটাতে এর পরেই রবিন ঠিক
করেন, আর নয়। এভাবে নিজেকে তিলে তিলে শেষ করে দেওয়ার কোনও অর্থ নেই। রবিন ও তাঁর স্বামী স্কট। রবিন বলেছেন,
বিয়ের আগে আমার তিনজন পার্টনার ছিল। কিন্তু বিয়ের পরে স্বামী ছাড়া আর কারও সঙ্গে মিলিত হইনি। আমি ঠিক করলাম, এভাবে
শূন্য হাতে এই পৃথিবী থেকে ফিরে যাওয়ার কোনও মানে নেই। হয় 'মা' ডাক, নয়তো পূর্ণ যৌন আনন্দ - যে কোনও
একটা সঙ্গে নিয়ে যাব। এর পরে আসে সবথেকে কঠিন পর্ব। স্বামীকে বোঝানো। এক বছর 'ওপেন ম্যারেজ'-এর প্রস্তাব। শর্ত ছিল তিনটি
- প্রেমে পড়া যাবে না, দু'জনেরই বন্ধু এমন, কারও সঙ্গে সেক্স চলবে না এবং তৃতীয়ত, সেক্স করতে হবে সুরক্ষা নিয়েই।
একটি আলাদা ঘর ভাড়া নেন রবিন। সপ্তাহভর সেই ফ্ল্যাটেই থাকেন তিনি। সপ্তাহান্তে ফেরেন বাড়িতে। আপাতত এভাবেই চলছে সংসার। আরও পড়ুন
একসঙ্গে চার নারী স্বামী পরকীয়া জড়িয়েছেন বুঝবেন কীভাবে সোফায় নগ্ন স্ত্রী মত্ত পরপুরুষে ২৯ ঘণ্টা ধরে স্বামীকে ধর্ষণ করলেন স্ত্রী
