স্বাস্থ্য এবং ভালোথাকা
 স্বাস্থ্যকর ভাবে বেড়ে ওঠা
ভাবনাত্মক কুশলতা ও মানসিক স্বাস্থ্য 
ব্যক্তি-সম্বন্ধীয় সম্পর্কসমূহ 
মূল্যবোধ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক 
লিঙ্গ সমতা 
পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্যবিধান 
বস্তুর অপব্যবহার রোধ এবং পরিচালনা 
স্বাস্থ্যকর জীবনশৈলীর প্রচার
প্রজনন স্বাস্থ্য এবং এইচআইভি প্রতিরোধ 
হিংসা এবং ক্ষয়ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা ও সতর্কতা 
ইন্টারনেট, গ্যাজেট এবং গণ মাধ্যমের প্রচার ও নিরাপদ ব্যবহার  
 স্বাস্থ্যকর ভাবে বেড়ে ওঠা

কী করে ঝরাব বাড়তি মেদ?

শীতকাল মানেই পার্টি সিজ়ন। পাশাপাশি এইসময় পাল্লা দিয়ে চলে পিকনিকও। দেদার হইহুল্লোড়, মস্তির সঙ্গে চলে লাগামছাড়া খাওয়া-দাওয়া। ফলটা অবশ্যই বোঝা যায় যখন দেখি যে স্লিমফিট জিন্সটা আর ফিট করছে না বা আগের বছর কেনা পুলওভারটা পরে মনে হচ্ছে এবার সত্যিই একটু মোটা হয়ে গিয়েছি। তবে নো চিন্তা, কারণ এই বাড়তি মেদ ঝরাতে সামান্য ডায়েট প্ল্যান করার সঙ্গে কিছু সামান্য এক্সারসাইজ় করলেই একেবারে কেল্লা ফতে!

ডায়েট:

সকালে উঠে এক কাপ গরম জল খেতে হবে। সারাদিনে যেন কম করে দেড় লিটার জল খাওয়া হয়। গ্রিন টি খাওয়া খুব উপকারী। কফি দিনে একবার চলতে পারে। তবে ড্রিঙ্কস যতটা বর্জন করা যায় ততই ভাল। দিনে একটা ফল খেতে পারি। শাক-সবজি প্রচুর পরিমাণে খাব। সারাদিনে মাঝে-মাঝে আমন্ড খেতে পারি। কিছু প্রোটিনও রাখা যেতে পারে ডায়েটে।

রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক নিয়ে সমস্যা
স্কিন কেয়ার
আমন্ড ফেস প্যাক
সুপার টিপস
চেষ্টা করুন কাজ ছাড়া রোদে না থাকার। আউটডোর অ্যাক্টিভিটিজ় যতটা পারবেন বিকেলের দিকে করুন। কভারড জামাকাপড় পড়ুন। ডিপ কলার্ড শার্ট, শর্ট বা কাপরি না পরাই ভাল। জিন্স পরে গরম লাগলে, লাইট লম্বা লেগিংস ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন লোশন বাইরে বেরোনোর সময় ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন কেনার আগে তার SPF এর মাত্রা দেখে নিন। আপনি কতক্ষন রোদে থাকবেন তাঁর উপর নির্ভর করবে এই মাত্রা। প্রয়োজনে ওয়াটারপ্রুফ সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

স্কিন কেয়ার
ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন যাতে বাড়তি তেল মুখে না জমে থাকে।
লেবুর রস, চিনি এবং গ্লিসারিন মিশিয়ে ভাল করে ট্যানড জায়গায় স্ক্রাবিং করুন।
মাসে অন্তত একবার ভাল ফেশ প্যাক ব্যবহার করুন।
ট্যান লাইটেনিং লোশন ব্যবহার করুন
আমন্ড ফেস প্যাক
আমন্ডে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ই থাকে। এর কারনে স্কিন হাইড্রেটেড এবং ময়েশ্চারাইজ়ড লাগে। ২-৩টে আমন্ড সারা রাত দুধে ভিজিয়ে রাখুন। খোশা ছাড়িয়ে একটা পেস্ট তৈরি করুন। এর মধ্যে ১ টেবিল চামচ মধু, ১টা লেবুর রস, ১/৪ চামচ হলুদ, ১ চামচ মিন্ট জুস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে নিন। ভাল করে মুখে এবং ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট রেখে মাস্কটা ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন। আপনার স্কিন আগের থেকে অনেক বেশি ফরসা এবং গ্লোয়িং লাগবে।

সুপার টিপস
কাঁচা হলুদ, দুধ এবং পাতিলেবুর রস দিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করুন। মুখে এবং বাকি ট্যান পড়া অংশে লাগিয়ে, কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটা সপ্তাহে অন্তত দু’ থেকে তিনবার লাগান।
তাজা পুদিনাপাতা থেঁতো করে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। টানা ১৫ দিন এই পেস্ট ব্যবহার করুন।
সান ট্যান হলে লেমন জুস এবং অ্যলোভেরা জুস লাগান ট্যানড ত্বকে। এছাড়াও আলু থেঁতো করা রস লাগাতে পারেন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে এটি খুব উপকারী।
স্কিনে দিনে দু’বার বাটারমিল্ক লাগান। প্রতিবার ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। স্কিন ঠান্ডা হবে এবং রিভাইটালাইজ করতে সাহায্য করবে।
তথ্য সংকলন : কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট টীম, বিকাশপিডিয়া, পশ্চিমবঙ্গ


