'ভালবাসার শহর' দেখার পর থেকে আমার ভেতরটা অস্থির হয়ে উঠেছেঃ বিদ্যা বালন 
বাংলা ছবির আমি অন্ধ ভক্ত। বহু বাংলা ছবি আমি আজও দেখি। নানা বাঙালি পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছি বার বার,
সেটা ভাল করেই জানেন আপনারা। আমি তো সবসময়ে বলি, বাংলা আমার দ্বিতীয় ভাষা। আনন্দের শহর কলকাতা আমার সেকেন্ড হোম। 'ভালবাসার
শহর' দেখার ইচ্ছেটা সেই ভাষার জন্যে ভালবাসা থেকেই। ছবিটি দেখার পর কিছুক্ষণ বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। চুপ করে বসেছিলাম। ভেতরে ভেতরে
চলছিল একটা তীব্র অস্থিরতা। এ কোন পৃথিবীর দৃশ্য দেখলাম আমি! যুদ্ধবিধ্বস্ত হোমস শহরের ছবি আমাকে ঝাঁকুনি দিয়ে গেল। আমরা এখনও
কতখানি অজ্ঞতা, কত দুর্বল স্মৃতি নিয়ে বসবাস করি এই পৃথিবীর বুকে। ভাবি, নিজেরা সেফ থাকলেই যথেষ্ট! 'ভালবাসার শহর' ছবি দেখতে
হলে ক্লিক করুন এখানে- অন্নপূর্ণা দাসের চরিত্রে কী অপূর্ব অভিনয় করেছে জয়া আহসান! একটি সাধারণ মেয়ে, যে মুসলিম ছেলের উপর
ভরসা করে ঘর ছেড়েছিল, শহর ছেড়ে বহু দূর দেশ সিরিয়ার হোমস শহরে চলে গিয়েছিল। সেই দুঃসাহসী মেয়ের জীবনে নেমে এল
অন্ধকার। যুদ্ধের সময়ে নিরুদ্দিষ্ট স্বামী, কোমাচ্ছন্ন ছোট্ট মেয়ে, বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে এক নারীর কী অসমসাহসী লড়াই দেখাল 'ভালবাসার শহর', বলে
বোঝানোর ক্ষমতা নেই আমার! কী অভিনয় করে দেখালেন জয়া! এই বিষয়ে অন্যান্য খবর যদি দেখে থাকেন 'ভালবাসার শহর', তা হলে
আপনার জন্য অপেক্ষা করছে সুবর্ণ সুযোগ জয়ার অভিনয় আমি দেখেছি 'রাজকাহিনী' ছবিতে। ওর মতো শক্তিশালী অভিনেত্রী আমি খুব কমই দেখেছি।
জয়ার জন্যে আমার পক্ষ থেকে অনেক হাততালি পাওনা রইল। এবেলা.ইন থেকে এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার্হ। আর অবশ্যই, ধন্যবাদ ইন্দ্রনীল
রায়চৌধুরীকে এমন একটি সুন্দর ছোট ছবি উপহার দেওয়ার জন্য। 