Journal article Open Access

একটি খণ্ডিত মুহূর্তের গল্প

সানি সরকার

রাত্রি বাড়ছে। তেমনই খুব দ্রুতই বুকের মধ্যে উত্তেজনাও চরমে উঠছে। বারবার ঘড়ি ও মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকাতে-তাকাতে চোখ ব্যথা হয়ে গেল ওর। ও-জানে, মিথ্যা। সব মিথ্যা। জানে, আসবে। আসবে-ই। নিদেনপক্ষে...

দোকান বন্ধ করে কাকুর হাতে চাবিটা দিয়ে গেল স্নিগ্ধ। আজকাল বাড়িতে ভালো লাগেনা মুহূর্তও। বাবা চলে যাওয়ার পরে কত ঘটনাই তো ঘটে চলেছে বাড়িটিতে। সেই কথাগুলি মনেও করতে চায় না, বা মনেও করে না স্নিগ্ধ। তবু কিছু কিছু ঘটনা, কিছু কিছু অসামঞ্জস্যপূর্ণ সময় প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই প্রায় লেপ্টে থাকে। যা হয়তো মনের অতল থেকে চাইলেও ঝেড়ে ফেলা যায় না। কেন যে যায় না! উফফ... আর নয়। এখন আর এইসব ভাববে না স্নিগ্ধ। কী-ই বা হবে এই সমস্ত সাত-সতেরো ভেবে। যত দিন যাচ্ছে ক্রমশই নিজের সঙ্গে লড়াইটা বাড়ছে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত অদৃশ্য একটি বিষাক্ত জাল ঘিরে রাখতে চাইছে। হ্যাঁ, খুব আষ্টেপৃষ্টেই। কিন্ত স্নিগ্ধ সময়ের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার কৌশলটি, ঠিক জানে। তাই নিজেকেই বারবার খুব ফিসফিস করে ও-বলে, ' কন্ট্রোল। কন্ট্রোল ইয়্যর সেল্ফ, ডিয়ার স্নিগ্ধ সেনগুপ্ত। ওই যে তোমার সামনে পেছনে এমনকি তোমার চার পাশে গভীর খাদ। কোথাও অতলান্ত জলাশয়। শুধু তোমার পা-য়ের নিচে সামান্য পাথুরে মাটি। কিন্তু এখান থেকেই তোমায় যুদ্ধটি লড়তে হবে। হ্যাঁ, অবশ্যই খুব সন্তর্পণে। সাঁতরে পেরোতে হবে গভীর জলাশয়। ডিঙিয়ে যেতে হবে এই খাদ। তার ভেতরও বিপদ আসবে। মুঠোটিকে শক্ত করে রাখো। দাঁত চেপে রাখো দাঁতে।' স্নিগ্ধ জানে, এটিই জীবন। ঝড় বৃষ্টি, আবার শীত, বসন্তও...। হারলে চলবে না। কিন্ত কিছু কিছু মুহূর্তের কাছে মানুষ হেরে যায়। কিংবা হেরে যেতে হয়...

সময় কত বৈচিত্র্যময় হয়েছে এখন। সেই পুরনো দিনের গল্পের চিত্রগুলি, দৃশ্যকল্পগুলি বদলেছে। এই মফস্বল শহরেও আছড়ে পড়েছে বহুজাতিক ঢেউ। শহরের কোণে কোণে কত সরকারি, বেসরকারি অফিস। কত ছোট ও মাঝারি ফ্যাক্টরি। পুরুষ হোক কিংবা নারী, আজকাল কেউ ঘরে বসে থাকে না। অন্তত মোট বয়েও যা-হোক কিছু রোজগারের ব্যবস্থা করে। অথচ সানিদা-কে দেখেছে স্নিগ্ধ, দিন নেই রাত নেই...উফফফফ...! পাবলিক বটে একটা।


এই সন্ধেটা বেশ ঘন হয়ে আসছে। অটো, টোটো, সাইকেল, সাইকেল রিকশা, বাইক ও নানান রকম যানবাহন দখল করে নিয়েছে এই মফসসল শহরের রাস্তা। পুজোও চলে গেল কেমন হঠাৎ করেই, কোন দিক দিয়ে কে জানে! দিনগুলো কেমন জেরক্সের দোকানে নোটস জেরক্স করতে করতেই বয়ে গেল। আজ স্নিগ্ধর মনের ভেতরে কোনও রকম পূর্ব সংকেত ছাড়াই দমকা হওয়া উঠলো হঠাৎ। চোখের সামনে ভেসে উঠলো,  নরম অথচ তেজস্বী কিছু ছবির তড়িৎ প্রবাহ। ছবিগুলো এ-গ্রীন সিটির (স্নিগ্ধ তার শহরটিকে এ-নামেই ডাকে) থেকেও মায়াবী। হঠাৎ এলো এবং চলে গেল। যেন বা একটি ঝড়। মুহূর্তের। তারপর বৃষ্টি। সেই মন উদাস করা বৃষ্টি, স্নিগ্ধ সমগ্র শরীরে মেখে নিতে থাকলো...

মাঝে একবার দীপন এসেছিল। স্নিগ্ধর বন্ধু দীপন। ওকে তেমন পাত্তা না দিয়ে মনের ভেতরে অবিরত বৃষ্টি ধারায় ভিজছিল ও। দীপন বলল, ভাই কেসটা কি? শরীর দিয়ে তো জ্যোতি বেরোচ্ছে একদম।' স্নিগ্ধ ওর দিকে তাকিয়ে আলতো হাসলো একবার। বলল, 'তাই বুঝি? ভাগ শালা ক্যালাপদ। এখন ব্যস্ত আছি, দেখছিস না কত কাজ।' ঠিক সেই সময়ই, একটি চোদ্দ-পেনেরো বছরের ছেলে এসে স্নিগ্ধকে নুনের ছিটে দিলো যেন, 'স্নিগ্ধদা, জেরক্স ষাট টাকা হয়েছে, পুতুলদি আমায় একশো দিয়েছিল। পঞ্চাশ ফেরত দিয়েছো। এ নাও দশ টাকা। 'কাকু বইয়ের বোর্ডে গাম পেস্ট করতে করতে স্নিগ্ধর দিকে না তাকিয়েই বললেন, 'যা। বাড়ি বাড়ি পুরনো কাগজ কিনে স্টেশনে মন্টুর কাছে শে'র প্রতি আট আনা লাভে বেঁচ গিয়ে। তোর দ্বারা এই ছাড়া আর কিস্যু হবে না গুড্ডু।' পাশে দাঁড়িয়ে মুচকি হেসে মজা নিচ্ছিল দীপন। বলল, 'কাকু, একদম ঠিক বলেছো। ও-চাইলে আমি একটি ভাঙা সাইকেল ও আস্ত একটা চটের বস্তাও জোগাড় করে দিতে পারি।' দীপনের এমন উক্তিতে, কাকু হাসি চেপে রাখতে পারলো না। স্নিগ্ধর মুখখানা বৈশাখের মেঘের মতো থমথম করছে তখন।


স্নিগ্ধকে কাকু গুড্ডু নামে ডাকে। কেন, কে জানে! আর মাঝে মাঝে  চাদ্দিকে না তাকিয়েই যা মুখে আসে বলে দেয়। শুধু কাকু কেন, দাদা বলে। মা বলে। দিদিয়া বলে। একমাত্র বড়মা-ই ওর শান্তির একমাত্র  আশ্রয়। আজ বড়মার কাছে গেছিল একবার। বড়মা প্রায়ই ওকে বলে, 'জানিস স্নিগ্ধ, জগতে কোনও কাজই ছোট নয়।কখনও কোনও কাজকে ছোট করে দেখবি না। ভালোবাসবি। ভালোবেসে অনেস্টলি যে কাজই করবি, দেখবি সেই কাজ তোকে আনন্দ দিচ্ছে। পাশাপাশি সাফল্যও। ভুলে যাবি না, কাজ হল জীবনের পরম আশ্রয়।' তারপরই মিষ্টি হেসে বড়মা ওর দিকে পায়েসের বাটিটা এগিয়ে দেন। বলেন, 'নে। এটা খেয়ে নে।  সেই কবে থেকে এটা তোর জন্যে রেখেছি, তুই তো এই বাড়ির পথ ভুলেই গেছিস।'


স্নিগ্ধ এখনও সেই বৃষ্টির অভ্যন্তরে অদৃশ্য সুগন্ধির মধ্যেই ডুবে ছিল। বড়মা ওর কাঁধে আলতো একটা টোকা দিয়ে বললেন, 'স্নিগ্ধ...'। এবার স্নিগ্ধ একটা দৃঢ় ভঙ্গি আনলো নিজের শরীরে। মনে মনে ভাবলো, 'ভিজতে হবে। হ্যাঁ, ভিজতে হবে।'

 
'কিসের ভেতরে ডুবে আছিস রে স্নিগ্ধ...'

 
এবার বড়মার কথা শুনে নড়ে বসল ও। বলল, 'কই না তো। বা চমৎকার খেতে তো পায়েসটা!'
'খেয়ে নে।  আজ রাতে খেয়ে তবেই যাবি কিন্ত।' স্নিগ্ধ কোনোক্রমে বাকি পায়েস মুখে চালান করে বলল, 'না। আজ না, বড়মা। অন্য আরেকদিন এসে খাবো। এখন উঠলাম।' তড়িৎগতিতে স্নিগ্ধর চলে যাওয়া দেখে বড়মাও কিছুটা স্তম্ভিত  হয়ে তাকিয়ে থাকলেন মুহূর্ত, পথের দিকে।


রাতের শহরটা বেশ সুন্দর। পরিকল্পনামাফিক সাজানো শহরটিতে রাতে বেরোতে ভয় পান অনেকেই। কেন? কে-জানে! রাস্তার পাশে আলোগুলো এখন অনেকটা ধীর ও অলসভাবে বিচ্ছুরিত হচ্ছে। মাঝে মাঝে একা একা রাতের শহরের রাস্তায় ঘুরতে বেশ ভালো লাগে। নিজেকে নতুন করে চেনা যায়। তেমনই একটা একটা ছায়ার সাথে হাঁটতে হাঁটতে অনেকটা পথ হাঁটা যায়। কত গল্পও তো থাকে নিজের সঙ্গে। সেই গল্পের ধ্বনি-তরঙ্গ একমাত্র নিজের ভেতরে বেড়ে ওঠা এক 'আমি'-ই শোনে। প্রত্যুত্তর দেয়। হাসে। শাসন করে। এসব কথাগুলো তো কেবলমাত্র নিজেকে ছাড়া আর কাউকে বলা যায় না!


বাবা অকস্মাৎ চলে যাওয়ার পর মা'কে এক বিষাদী গাছের মতো ন্যুয়ে যেতে দেখেছে স্নিগ্ধ। দাদা কলকাতায়। কখনও ব্যাঙ্গালোর, ভুবনেশ্বর, পুনে...। আর স্নিগ্ধ! কখন যে একরত্তি বাচ্চা ছেলেটি বড়ো হয়ে গেল! আর মা'র একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠলো। যত চাপ ঘাড়ে নিয়ে স্কুল ও সংসার দু-ই সামলেছে মা। ও বি-ফার্ম কমপ্লিট করল, তারপর এমবিএ।  মা-ও শিক্ষক জীবন থেকে অবসর নিলেন। সবই যেন সাজানোই ছিল পরপর। এখনও কী বাকি আছে কে-জানে! ওর বুকের খাঁচাটির মধ্যিখান থেকে দুখ জাগানিয়া পাখিটি নড়ে উঠলো আজ আরেকবার। শেয়ারে এ-দোকান। অল্প সময়ের ভেতর এই আশেপাশের মানুষগুলি কত আপন করে নিয়েছে ওদের। পরিচিতি পেয়েছে দোকানটির। আফটার অল বিজনেস ব্যাপারটি ভালো-ই বোঝে স্নিগ্ধ। এখন বই, খাতা, পেন, জেরক্স, ল্যামিনেশন ও বাইন্ডিং। ছোট্ট অথচ সাজানো ছবির মতো ওদের 'রকমারি জেরক্স সেন্টার'।


রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে থমকে দাঁড়াল স্নিগ্ধ।এই তো সেই গলি। সামনেই 'খাওয়া-দাওয়া' রেস্টুরেন্ট। বুকের মাঝখানে আবার একটুখানি মোচোড় খেল ওর। ছয় মাস! ছয় মাস... বিগত ছয় মাসে একবারও শ্রীপর্ণা মুখোমুখি ওর হয়নি। আসলে সত্যি যে দোষটা কার, তা এখনও বুঝে উঠতে পারলো না ও। সেদিন কি চমৎকার সুন্দর একটি সন্ধে অকালে নষ্ট হয়ে গেল...। তার সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কটাও। স্নিগ্ধ ফুটপাতে সাইকেলটা সাইড করে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে দেখলো, ওই তো... ওই তো... সেই চেয়ার টেবিল...। আজ শুধু হালকা গোলাপির বদলে ঘরের আলো গাঢ় নীল...। সমস্ত ঘর জুড়ে নীল আলো ভেদ করে বিভিন্ন রঙের প্রজাপতির মতো কিছু ওড়াউড়ি করছে, ঘরময় তোলপাড় করে। স্নিগ্ধ ভাবলো, 'পাগলীটা কেন যে ওদিন ওভাবে রিয়াক্ট করল? ওকে তো সে এতগুলো বছরে এতোটুকুও কম ভালোবাসেনি! ও-ও তো  তাই। নাকি...! না এসব ভাবতে আর ইচ্ছে করছে না। ও-অনুভব করতে পারছে, গাঢ় আদরের দাগ এখনও চির নতুনের লাবণ্য নিয়ে লেপ্টে আছে সমগ্র শরীরে। হঠাৎ এক তীব্র চাপা অভিমান চক্রের মতো স্নিগ্ধর শরীরের মধ্যিখানে ঘুরে ঘুরে উঠলো। ও-গলন্ত বরফের মতো টুপটাপ ঝরতে ঝরতে নিজে নিজেকেই বলল, 'নাহহহ...'।


বাড়ি ফিরে চোখে পড়লো, মা খাবার টেবিলে একটা বইয়ে মুখ গুঁজে ওরই জন্যে অপেক্ষা করছে। মা-এর এটি বহুদিনের অভ্যাস।  স্নিগ্ধও পেয়েছে এটা, তবে শুধু মা নয় বড়মা'র থেকেই আরও অনেক বেশি। কতদিন এমন হয়েছে, বুকে বই জড়িয়ে শুয়ে পড়েছে। স্বপ্নে মিতিনমাসি, কখনও ফেলু মিত্তিরের সঙ্গী হয়ে চলে গেছে দূর-দূরান্তের কোনও জটিল ও ভয়ঙ্কর সব রহস্য উন্মোচনে। কখনও বা হেমেন মামার সঙ্গী-! স্বপ্নের পথগুলো কখনও-ই কি সম্পূর্ণ  নয়? কখনও শেষ হয় না কেন? একটি সুন্দর কবিতা, গল্প, উপন্যাস-এর মতো এই পথগুলোও কখনও বড্ড দীর্ঘ এবং ঘোরালো যেন। তবে একটা রেশ থাকে, মনের সেই ছোট্ট সুন্দর সাজানো ঘরটিতে আজন্ম জেগে থাকার মতোই সেই রেশ, সেই আবহ...


ক্লান্ত শরীরটিকে বিছানায় এলিয়ে দিয়ে মুহূর্তে  আবার উঠে জানলার পর্দাটা সরিয়ে দিলো স্নিগ্ধ। একটু আগে তুমুল বজ্রপাত হয়েছে, কিন্ত মেঘ যতটা গর্জালো ঠিক ততোটা কিন্ত বর্ষালো না। এখন মধ্যরাত্রি। ক্রমশ মেঘ কেটে কেটে আকাশে একটা একটা করে তারা ফুটেছে। চাঁদও মেঘের সিঁড়িগুলো ভেঙে উজ্জ্বল হয়ে উঠছে ক্রমাগতই। স্নিগ্ধর দোতলায় ঘরের সামনেই মামদি ও টিংকুদা'র ঘরটি। দেখা যাচ্ছে: বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে মামদি সম্ভবত পরীক্ষার খাতা দেখছে। কোপাই ও টিংকুদা ঘুমোচ্ছে অকাতরে। বাড়ির সামনের রাস্তাটা এখন দখল করে নিয়েছে পাড়ার কুকুরগুলি। ইচ্ছা হল, যদি একবার রাস্তা থেকে ঘুরে আসা যেত! কিন্ত এখন দরজা খুললে সারা বাড়ির ঘুম মাথায় উঠবে। নিজেকে সংযত করল স্নিগ্ধ। ওর উইণ্ডো-এইট এর নতুন ফোনটা এতক্ষণ নির্জীবই ছিল। ফোনটার কথা ভুলেই গেছিল। হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ নাড়াচাড়া করতে করতে ড্র‍য়ার থেকে সিগারেটের প্যাকেটটা বের করে ধরালো এবার। আজ যে কি অস্থিরতা চেপে ধরেছে! শরীরের মধ্যেকার সব কলকব্জাগুলো নড়ে নড়ে উঠছে বারবার। বাইরে দু-পাড়ার কুকুরদের মধ্যে তীব্র বাক-বিনিময় চলছে ক্লান্তিহীনভাবে। জানলার পরদাটা আরও উন্মুক্ত করে দিলো ও। মামদি ঘরের ভেতর থেকে পরদা টেনে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে বোধহয়। ঘরের ভেতরের লাল নরম আলো, আর বাইরে বৃষ্টি থামার পর ফুটন্ত জ্যোৎস্না খুব ধীরভাবে জানলার বৃষ্টি ধোয়া কাচে স্পর্শ রেখে চলেছে নিরন্তর একটি স্তব্ধ সংগীত-আবহের মতোই।


হঠাৎ একটি শব্দ। তারপর অদ্ভুত নিমগ্নতা। সবকিছু হঠাৎ-ই এক বৃত্তের মধ্যিখানে এসে স্থির হয়ে গেল। যেন খুব ধীর, খুব মোলায়েমভাবেই স্নিগ্ধর দু-চোখও আঁটকে গেছে: 'Aaj brishti holo. Aami bhijlam na, ei prothom. Nijer sange lorai korlam khub. Here gelam... Aar here jaoyateo eto aanondo hoy, jano, ei prthom ter pelam.


Tumi kemon goyenda! Rahasya unmochon korte paro na. Aamar khub rag hoyechhe. Bhangao. Jano, Aasole Sumita keo nei. Rajib aar Mrittikar banano ekti mithyer shikar Aami o tumi. Ora just moja korechhe. Kintu moja je anyoder jeebone probol asanti aante pare ta ke bojhabe oderke? Sweekar korchhi to, dosh aamari. Bhool bujhechhilam tomake. Aar tumi janoi to, aami to tomay aar karo sange antoto bhag kore nite parbo na. Kichhutei, kichhur binimoyeo na. Ei tumiti sampurno 'aamar'df. Hnya, aajo. Aar bhool bujho na please...
Ogo, kaal IIT-er 'coffee cafe' te sakalei ekbar eso nago, please... please...'


WhatsApp  মেসেজটি পড়েই স্নিগ্ধ ধপাস করে বসে পড়লো বিছানায়। ও-যেন তখন আস্ত একটি বরফের চাঁই। ক্রমাগত গলে চলেছে। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি শব্দ-ই ওর মুখ থেকে নির্গত হল, 'পাগলি...'। তারপর ও-উঠে আসলো বৃষ্টি-ধোয়া ছাদের ওপর। ঘড়ির দিকে তাকালো একবার...দু-বার...বারবার...

 

Files (341.6 kB)
Name Size
sunny.pdf
md5:a7b2e985577991b3f5afcf25c55fe5e1
341.6 kB Download
4
2
views
downloads
All versions This version
Views 44
Downloads 22
Data volume 683.3 kB683.3 kB
Unique views 33
Unique downloads 11

Share

Cite as